ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট শেরপুরের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস।
তাদের খবরে বলা হয়েছে যে, রোববার জেলার সদর ও নকলা উপজেলায় নতুন করে আরও অন্তত আটটি ইউনিয়নে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।
এ নিয়ে জেলার পাচঁ উপজেলার ৩০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হলো। এতে পানিবন্দী অবস্থায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
এদিকে, শেরপুরে বন্যায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এর মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চললেও পানির প্রবল স্রোত আর পর্যাপ্ত নৌযানের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কাজ।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান জানিয়েছেন যে, রোববার জেলার ভোগাই নদীর নাকুগাঁও পয়েন্টে পানি এক সেন্টিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪৮ সেন্টিমিটার এবং চেল্লাখালীর ২৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস জানান, বন্যায় এখন পর্যন্ত জেলার সাড়ে ৩৫ হাজার হেক্টর জমির আমন ধানের আবাদ পানিতে তলিয়ে গেছে।
এছাড়া সাড়ে নয়শ হেক্টর জমির সবজির আবাদ পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।